ভূত-জাল সম্পর্কে জানুন

জেলে, শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের জন্য ছোট পাঠ।

ভূত-জাল কী?

হারিয়ে যাওয়া বা ফেলে দেওয়া জাল, দড়ি ও ফাঁদ পানির নিচে বছরের পর বছর মাছ, কাছিম ও ডলফিন আটকে ফেলে। কেউ সেগুলো তোলে না, তাই ক্ষতি চলতেই থাকে।

কেন এটি জেলেদের ক্ষতি করে

ভূত-জাল মাছের সংখ্যা কমায়, নৌকার প্রপেলারে জড়িয়ে যায় এবং জাল ছিঁড়ে দেয় — অর্থাৎ সরাসরি আয়ের ক্ষতি।

নিরাপদে কী করবেন

নিজে ভারী জাল টেনে তুলবেন না। দূর থেকে ছবি তুলুন, অবস্থান দিন এবং রিপোর্ট করুন যাতে দল গিয়ে সরাতে পারে।

শিক্ষকদের জন্য

শ্রেণিকক্ষে লাইভ ম্যাপ খুলে শিক্ষার্থীদের দেখান কোন উপকূলে কী ধরনের বিপদ জানানো হয়েছে, এবং এসডিজি ১৪ নিয়ে আলোচনা করুন।

নিরাপত্তা পরামর্শ

  • পরিত্যক্ত জাল / সরঞ্জাম

    সম্ভব হলে দূরে থাকুন। জাল নিজে তুলতে ঝুঁকি নেবেন না। ছবি তুলে রিপোর্ট করুন।

  • তেল বা দূষণ

    পানির সাথে সরাসরি সংস্পর্শ এড়িয়ে চলুন। ওই পানিতে জাল ফেলবেন না। রিপোর্ট করুন।

  • মৃত / অসুস্থ সামুদ্রিক প্রাণী

    প্রাণীটি স্পর্শ করবেন না। দূর থেকে ছবি তুলে রিপোর্ট করুন।

  • সামুদ্রিক আবর্জনা

    নিরাপদ হলে ছোট আবর্জনা সরান, ভারী বা ধারালো জিনিস নয়। রিপোর্ট করুন।

  • অন্যান্য

    নিরাপদ দূরত্বে থাকুন এবং যা দেখেছেন ছবি তুলে জানান।

বঙ্গোপসাগরের সামুদ্রিক কাছিম — বিস্তারিত গাইড